ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনমুহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিকঃ
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ ৫ আগস্ট-২০১৭ জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন (১ম রাউন্ড) নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে।

গত ১ আগস্ট মঙ্গলবার দুপুরে সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় ওই মতবিনিময় সভা হয়।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মলয় কুমার দাসের সঞ্চালনায় ও সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম রাহাতুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সচিব আবদুল্লাহ আল বাকী, সাংবাদিক কাজী মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন, আসাদুজ্জামান, মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), মাসুদ রানা প্রমুখ। শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর মাল্টিমিডিয়ার প্রজেক্টরের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেন সিটি কর্পোরেশনের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ রহমত উল্লাহ।

সভায় সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম রাহাতুল ইসলাম ভিটমিন ‘এ’র গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ৬-১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। শিশুরা যাতে কোনোক্রমেই ভিটামিন ‘এ’ খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে। এজন্য পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে এবং সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ হতে মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় মসজিদের মাইক দিয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে। যাতে সবাই এ ব্যাপারে আরো বেশি সচেতন হতে পারে।

সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সচিব আবদুল্লাহ আল বাকী জানান, আগামী ৫ আগষ্ট অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন (১ম রাউন্ড) উপলক্ষে গাজীপুর সিটির দুইটি জোনে ২৫টি ওয়ার্ডে প্রায় ৯৫ হাজার ৭১২জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি ১১ হাজার ১৪৮জন শিশু এবং ১২মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সিদের সংখা হলো ৮৪ হাজার ৫৬৪জন শিশু রয়েছে। ক্যপসুল খাওয়ানোর জন্য ২৫৬টি কেন্দ্রে, ১৩ টি মোবাইল কেন্দ্র, ৬টি স্থাযী কেন্দ্র এবং ৭টি ভ্যাকসিন ব্যাংক থাকবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের স্যানিটেশন অফিসার মমতাজ বেগম, আরবান প্রাইমারী হেলথ্ কেয়ার সাভিসেস্ ডেলিভারী প্রজেক্টের মনিটরিং অফিসার শিরিন আক্তারসহ গাজীপুরে কর্মরত প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

Share.

Comments are closed.