বিশেষ প্রতিবেদক: রাস্তার পাশে ২/৩ টাকার ঝালমুড়ি বিক্রি করা কদ্দুস এখন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। ঝালমুড়ি বিক্রি করে মোনোরম পরিবেশে গড়ে তুলেছেন কদ্দুস ফুড পার্ক নামের একটি ব্যায়বহুল রেস্টুরেন্ট। তার গড়া ২ টি প্রতিষ্ঠানে ৩ জন ম্যনেজার সহ ২৭ জন কর্মচারীর শুধু মাসিক বেতনই দেন এক লক্ষ আশি হাজার (১৮০০০০) টাকা।

বি আই ডি সি রোডের আশপাশের ব্যবসায়ী ও কদ্দুসের সাথে কথা বলে জানাযায়, অভাবের তারনায় ১৯৯৮ সালে গাজীপুরে ভুরুলিয়া এলাকায় ধান ক্ষেতের কাজ করতে আসে ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার মাজিয়ালি গ্রামের দরিদ্র পরিবারের হতাশাগ্রস্ত যুবক আঃ কদ্দুস(২৭)। ধানের ক্ষেতে কাজ করা অবস্থায় পরিচিত হয় কুমিল্লার ঝালমুড়ি বিক্রেতা আঃ কাদেরর সাথে, আর সেখান থেকেই শুরু কুদ্দুসের ঝালমুড়ি।

kuddus

কুদ্দুস ভাইয়ের পূর্বের রুচিশীল ঝাল মুড়ির দোকান

 

গাজীপুরের বি আই ডি সি রোড এ ৭০০ টাকা পুজি নিয়ে ঝাল মুড়ির হকার ব্যবসায় শুরু করেন আঃ কদ্দুস। শুরুতে ২ টাকা পরে ৩ টাকা করে ঝালমুড়ি বিক্রি করলেও ভাল মান আর সুস্বাধু ঝালমুড়ি প্রতি আকৃষ্ট হতে থাকে আশপাশের মানুষ।এক পর্যায়ে যা ১০-৫০ টাকা করে বিক্রি করা শুরু করেন২০০৫ সালে  ঝালমুড়ির চাহিদা মিটাতে শহীদ সৃতি স্কুল এর পাশে ২ জন কর্মচারী নিয়ে ঝালমুড়ির সাথে সিঙ্গারা ও লন্ড্রির দোকান শুরু করেন।জনপ্রিয় হতে থাকে কদ্দুস ভাই এর ঝালমুড়ি। সকাল থেকে শুরুকরে রাত ১১ টা পর্যন্ত ঝালমুড়ি বিক্রি করলে ও  সন্ধ্যার পর ভিড়ের জন্য লাইন এ দাড়িয়ে ঝালমুড়ি ক্রয় করতে হত।

কুদ্দুস ফুড পার্ক

কুদ্দুস ফুড পার্ক (বর্তমান)

জয়দেবপুর বাজার এ ১টি “১ টু ৯৯” এর শোরুম ও আছে তার। নিজের উপার্জিত টাকায় গাজীপুর শহর এ জমি ক্রয় করেছেন তিনি।আশপাশের কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুনদের প্রিয় কদ্দুস ভাইয়ের রয়েছে দুটি ছেলে মেয়ে। মেয়েকে ডাক্তার আর ছেলেকে ব্যবসায়ী বানাতে চান তিনি। কদ্দুসের মত অদম্য ইচ্ছা আর বড় হবার স্বপ্ন থাকলে অনেক অসম্ভবকেই সম্ভব করা যায়।

Share.

Leave A Reply