রাশেদুল ইসলাম: জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা মহাসড়কটি রাজধানী ঢাকার সাথে একমাত্র সরাসরি সড়ক যোগাযোগ করিডোর। কেবল অভ্যন্তরীণ যোগাযোগই নয়, আঞ্চলিক এবং উপ-আঞ্চলিক সড়ক সংযোগের অংশও এটি। কিন্তু সম্প্রতি মহাসড়কটির প্রায় ৭০ কিলোমিটার ৪ লেনে উন্নতি করা প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় মহা দুর্ভোগে পড়ছে যাত্রীরা। সারাক্ষণ যানজট লেগে থাকায় বিপাকে পরতে হয় কর্মজীবী মানুষদের। রাস্তায় জ্যামে আটকে থেকেই নস্ট হয় দিনের গুরুত্বপূর্ণ কর্ম ঘন্টা।

মহাসড়কের যানজট

মহাসড়কের যানজট

সাউথ এশিয়া সাব-রিজিওনাল ইকোনোমিক কো-অপারেশন সড়ক সংযোগ প্রকল্পের আওতায় দেশের প্রধান প্রধান মহাসড়কগুলোকে চারলেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এডিবির অর্থায়নে ইতোমধ্যে একহাজার সাতশত বায়ান্ন কিলোমিটার সড়ক চারলেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা সড়কটি দুইলেন হতে চারলেনে উন্নীত করা হচ্ছে।

ভোগড়া বাইপাস থেকে শুরু করে কড্ডা হয়ে কোনাবাড়ী পর্যন্ত প্রতিদিনই থাকছে যানজট এবং গাড়ীর চাপ। প্রতিদিন গড়ে দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় নষ্ট হচ্ছে এই মহাসড়ক ব্যাবহারকারীদের। ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্কুল-কলেজ ও অফিসগামী মানুষদের। এই মহাসড়কে নিয়মিত যাতায়াতকারী একজন গাজীপুর টাইমসকে জানান, “ প্রতিদিনই অফিসে পৌঁছাতে দেরি হয়ে যায়, যদিও বাসা থেকে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই রওনা দেই অফিসের উদ্দেশ্যে।’’ এই যানজট নিরসনে প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছে সালনা (কোনাবাড়ী) হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা। পাশাপাশি স্থানীয় এলাকাবাসীও তাদের সাহায্য করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন, সালনা হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম।

জিটি/২৮/০৯/১৬/০০৭

Share.

Comments are closed.